গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না
৪ মাসের গর্ভবতী বাচ্চার নড়াচড়াগর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না ও গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয় এবং গর্ভকালীন সময়ে কি কি করা উচিত এই সকল বিষয়গুলো একজন গর্ভবতী নারীর জন্য জানা অনেক জরুরী। গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী নারী অনেক কঠিন সময় পার করে থাকে,বিশেষ করে গর্ভ অবস্থার শেষের সময় গুলো অনেক কেয়ারফুল থাকতে হয়।
তাই গর্ভবতী নারীকে অনেক কিছু মানবিজ করে চলতে হয় এবং বেছে খাবার গ্রহণ করতে হয়। গর্ভবতী নারীর এই সময় গুলোতে কি করা প্রয়োজন এবং কি কি এড়িয়ে চলা উচিত তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই পোস্টে। গর্ভবতী নারী ও গর্ভস্থ সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য কি কি করা প্রয়োজন তা জানতে এই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
ভূমিকা
গর্ভবতী মায়ের খাবার গ্রহণে অসতর্কতা বা একটু ভুল হবার কারণে গর্ভবতী মা ও অনাগত শিশুর ভবিষ্যৎ পড়তে পারে হুমকির মুখে। তাই গর্ভাবস্থায় গর্ভবতীর কি কি করা প্রয়োজন ও কি কি করা উচিত না তা একজন যোগ্য মায়ের অবশ্যই জানা দরকার। কারণ গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মায়ের সতর্কতায় পারে স্বাভাবিক ও সুস্থ সবল একটি বাচ্চার জন্ম দিতে।
তাই চলুন এক এক করে জেনে নেওয়া যাক গর্ভবস্থায় কি কি করা যাবে না ও কোন কোন কাজ করলে গর্ভবতীর ও গর্ভের সন্তানের জন্য মঙ্গল।
গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না
গর্ভবতী মায়েদের কোন ধরনের কাঁচা শাকসবজি না খাওয়াই উত্তম। এর কারণ হলো কাঁচা শাকসবজিতে বিভিন্ন ধরনের পরজীবী ও ময়লা থাকতে পারে। আর এগুলো খাওয়ার মাধ্যমে গর্ভবতী নারীর ও গর্ভের বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে। কোন কোন সবজি খাওয়া যাবেনা তার নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
করলা
গর্ভবতী নারীদেরকে করোলা এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ সেপনিক,মারোডিসিন,গ্লাইকোলাইসিস নামক ক্ষতিকর পদার্থ থাকে করলাতে যা গর্ভের শিশুর ক্ষতি করে।
কাঁচা ও পাকা পেঁপে
গর্ভবতী নারীদের পেঁপে খাওয়া মোটেও উচিত হবে না। কারণ লাটেক্স নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে পেঁপেতে যা গর্ভের শিশুর ক্ষতি করে থাকে।
আনারস
অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল হল আনারস। কিন্তু এই ফলটি গর্ভস্থ নারীর খাওয়া যাবে না। কারণ এই ফলে ব্রোমালিন নামক এক উপাদান রয়েছে যা গর্ভের শিশুর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
অ্যালোভেরা
পেট পরিষ্কার রাখার জন্য ও সৌন্দর্য বা রূপচর্চার জন্য অ্যালোভেরার ব্যবহার অনেক জনপ্রিয়। এবং এই অ্যালোভেরাটি মহিলারা আরো বিভিন্ন উপকারের জন্য ব্যবহার বা খেয়ে থাকেন। কিন্তু গর্ভবতী মেয়েরা অ্যালোভেরা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ গর্ভাবস্থায় এটি খেলে গর্ভপাত ধরতে পারে।
সজনে
সজনে অনেক জনপ্রিয় একটি সবজি এবং এর পুষ্টিগুণ রয়েছে অনেক। কিন্তু এই সজনে গর্ভবতী নারীদের খাওয়া ঠিক হবে না, কারণ সজনেতে আলফা সিটেস্টেরল না আমার এক ধরনের উপাদান থাকে যা গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত ঘটাতে পারে।
আধা সিদ্ধ বা হাফ বয়েল ডিম
গর্ভকালীন সময়ে কখনোই হাফ বয়েল,অল্প সিদ্ধকৃত বা আদা সিদ্ধ ডিম খাওয়া ঠিক না। কারণ এতে সালমোনেলার দূষণের ঝুঁকি থাকে। যা বমিও ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।
দোকানের কেনা সালাদ
দোকান থেকে কখনই গর্ভবতী নারীদের সবজির সালাত খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এতে বিভিন্ন রকমের ব্যাকটেরিয়া অথবা জীবাণু জন্ম জন্মাতে পারে। যা গর্বের শিশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতকর।
না ধোয়া সবজিওফল
না ধোয়া সবজি ও ফল খাওয়া যাবেনা গর্ভবতী নারীর। কারণ না ধোয়ার সবজি ও ফলের খোর সাথে শুধু হার্বিসাইডই ও ক্ষতিকর কীটনাশক থাকতে পারে না, সেগুলোতে লিস্টিরিয়া ও টক্সেপ্লাজমার মত মারাত্মক প্যাথোজেনদের ও আবাসস্থল হয়।
লেবু,স্প্রাউট ও বাঁধাকপির মত কাঁচা শাকসবজি না ধুয়ে খাওয়া, বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের এগুলো সম্পন্ন পরিহার করতে হবে। পাতাওয়ালা সবজিগুলোকে ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে রান্না করে খেতে হবে। এবং দীর্ঘদিন ফ্রিজে সংরক্ষণ করা ফলমূল থেকে পুরোপুরি বিরত থাকতে হবে।
এতক্ষণ আমরা উপরের উল্লেখিত খাবার গুলো সম্পর্কে জানলাম যা গর্ভবতী নারীদের খাওয়া উচিত না। আর এবার নিচে সেই সকল খাবার গুলোর তালিকা দেখব যে সকল খাবারগুলো খাওয়া যাবে না গর্ভাবস্থায়।
- কাঁচের ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে
- আদা সিদ্ধ মাছ/মাংস খাওয়া যাবে না
- কাঁচা দুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে
- কলিজা ও কলিজা দিয়ে তৈরিকৃত কোন খাবার খাওয়া উচিত হবে না
- খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে ক্যাফেইন জাতীয় খাবারগুলো থেকে।
- যেকোনো সামুদ্রিক মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
- আঙ্গুর ফল খাওয়া যাবেনা
গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয়
বিশেষজ্ঞদের মতে,গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মায়েদের ডান কাঁধ হয়ে ঘুমানোর থেকে বাম কাঁধ হয়ে ঘুমানো বেশি ভালো। কারণ এমনটা করে শুলে গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশু দুইজনেরই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ডান কাঁধ হয়ে ঘুমালে অনেক সময় গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। হৃদপিন্ডের রক্ত ও অক্সিজেন চলাচলের জন্য ইনফেরিওর ভেনেক্যাভা নামে যে শিরা আছে সেটি থাকে মানুষের শরীরের ডানপাশে।
তাই গর্ভবতী নারী ডান দিক হয়ে ঘুমালে এই শিরাটির উপর চাপ পড়তে পারে। আর যদি চাপ সৃষ্টি হয় তবে এর ফলে শরীরে অক্সিজেন ও রক্তের চলাচলে বাধা আসতে পারে,যার জন্য ক্ষতি হতে পারে মা ও শিশু দুজনেরই। এছাড়াও এই শিরাটির ওপর চাপ পড়ার কারণে এটি প্রশস্ত হতে ব্যর্থ হয়। যার ফলে হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার মত সমস্যা হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ শিশুর বুকে কফ জমলে কি করা উচিত
গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মা ডান কাঁধ হয়ে না ঘুমানোর আরেকটি কারণ হলো, মানুষের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অর্গান গুলোর মধ্যে একটি হলো লিভার। আর এই লিভার থাকে শরীরের ডানদিকে। আর যেহেতু গর্ভবতী নারীর পেটের আকৃতি ও শারীরিক ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বেড়ে যায়, তাই ডান কাঁধ হয়ে ঘুমালে লিভার নামের এই গুরুত্বপূর্ণ অর্গান টির উপর চাপ তৈরি হয়। এবং এটির ওপরে অতিরিক্ত চাপ পড়ার কারণে সঠিকভাবে লিভার তার কার্যকলাপ চালাতে ব্যর্থ হয়।
যার ফলস্বরূপ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর সেই জন্য গর্ভবতী নারীকে ডান কাঁধ হয়ে ঘুমানোর বদলে বাম কাঁধ হয়ে ঘুমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আরেকটা কথা মাথায় রাখবেন গর্ভবতী নারীদের কখনোই চিৎ হয়ে বা উপর হয়ে শোয়া বা ঘুমানো উচিত নয়। কারণ এতে গর্ভের বাচ্চার মৃত্যুর হার বহু গুণে বেড়ে যায়।
গর্ভাবস্থায় বাচ্চা পেটের কোন পাশে থাকে
বাচ্চা স্বাভাবিকভাবে পেটের কোন পাশে থাকে তারা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। যখন বাচ্চা বড় হতে থাকে তখন গর্ভের বাচ্চা স্বাভাবিক ভাবেই তার অবস্থান পরিবর্তন হতে থাকে। গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে যখন শেষ মাস হয় তখন বাচ্চা অনেক বড় হয়ে যায়। অনেকেই জানতে চান গর্ভে এই সময় বাচ্চা পেটে কি পজিশনে আছে বা কোন পাশে থাকে। ও বাচ্চা সুস্থ আছে কিনা তা জানার চেষ্টা করে। হ্যাঁ এগুলো যারা অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
আরো পড়ুনঃ শীতে শিশুর ঠান্ডাজনিত সমস্যা
কারণ পশুদের মুহূর্তে শিশুর জরায়ুতে যথাযথ অবস্থানের থাকতে হবে। আর সকলের উচিত গর্ভকালীন শেষ মাসে ডাক্তারি পরীক্ষা করা ভালো করে। এবং এই সময়টাতে ভালো করে শিশুর গতিবিধির দিকে নজর রাখা। অর্থাৎ এই সময়টাতে শিশুকে যে পজিশনে থাকলে ভালো থাকে। অ্যান্টেরিয়র পজিশন হচ্ছে শিশুর পিঠ থাকে মায়ের পেটের দিকে ও শিশুর মাথা থাকে নিচের দিকে।
গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে কি হয়
গর্ভবতী মহিলাদের রাতে ভালো ঘুম না হওয়ার কারণে তারা দিনে বড় একটা সময় ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেয়। কিন্তু এই অতিরিক্ত বিশ্রাম নেওয়ার কারণে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হতে পারে। তাই সারাদিন ঘুমিয়ে বা শুয়ে নয় কিছু ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ও জরুরী। গর্ভবতী মায়ের অতিরিক্ত ঘুম বয়ে আনতে পারে বিপদ।
আরো পড়ুনঃ নবজাতকের বিলিরুবিনের পরিমাণ কমানোর উপায়
গর্ভস্থ মা যদি দিনে ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমায় তাহলে গর্ভের শিশুর জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উচিত গর্ভস্থ মায়েদের পরিমিত বিশ্রামও ঘুমের এবং হাটাও চলাফেরার।
গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা ফর্সা হয়
স্বাভাবিক এতে একটু বেশি ক্ষুধা পাই গর্ভবতী মহিলাদের। আসলে সেই সময় তাদের জন্য ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করাটা খুবই জরুরী। কেননা এই খাবার মায়ের সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চার জন্য অনেক বেশি দরকারি। বিশেষজ্ঞদের মতে,বাচ্চার শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা খাদ্যের ওপর নির্ভর করে না।
এটা নির্ভর করে মা বাবা এর কাছ থেকে যে দিন পেয়েছে তার ওপর। গর্ভবতী অবস্থায় যেসব খাবারগুলো বাচ্চার বর্ণ ও রংয়ের জন্য ভূমিকা রাখতে পারে এমন কিছু খাবার তালিকা আসুন সেগুলো জেনে যাক।
কমলালেবু
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হলো কমলালেবু। যা শিশুর শরীর গঠনের জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় শিশুর ত্বক ভালো রাখতে অবশ্যই গর্ভবতী নারীর বেশি বেশি কমলা লেবু খাওয়া প্রয়োজন।
নারিকেল
নারিকেলের ভেতরের সাদা শাঁস গর্ভের শিশুর বর্ন ও রং ফর্সা করে। গর্ভাবস্থায় মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয় অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া। কিন্তু পরিমিত খেতে পারেন।
দুধ
দুধে থাকা পুষ্টি উপাদান যা হাড় ও দাঁত গঠনের সহায়তা করে ও ভ্রূণের বৃদ্ধির জন্য খুব প্রয়োজনীয়, প্রচলিত ধারণা দুধ ত্বকের রং ফর্সা করতে সহায়ক।
জাফরান দুধ
জাফরান দেয়া দুধ যেটা গর্ভবতী অবস্থায় অনেক মহিলা পান করে থাকেন। দুধে থাকা জাফরান গর্ভের শিশুর গায়ের রং ফর্সা করে। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। গর্ব অবস্থায় রক্তচাপ ও মোর সুইং নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে জাফরান,একটু গবেষণা করে দেখে গেছে।
এই সময় অতিরিক্ত জাফরান খাওয়া ক্ষতিরও কারণ হতে পারে। যার কারনে জরায়ু সংকোচন হতে পারে প্রি-চার্ম বা গর্ভপাতের মত ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা প্রথম ট্রাইমেস্টারে জাফরান না খাওয়ার পরামর্শ দেন।
এগুলো ছাড়াও আরো কিছু খাবার রয়েছে যেমনঃ
- ডিম
- টমেটো
- চেরিও বেরি জাতীয় ফল
গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ করা নিষেধ
বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকলে গর্ব অবস্থায় ঘরের কাজ করতে সাধারণত পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ কাজ করলে সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় কষ্ট কম হয়। তবে গর্ভবতী মহিলারা মোটেও সব ধরনের কাজ করতে পারবে না। তাদের জন্য কিছু কাজ এড়িয়ে চলাই ভালো।
গর্ভবতী মহিলা এই সময়ে শাকসবজি কাটা ও ধোয়ার কাজ করতে পারেন। তবে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে বা মাটিতে বটি পেতে বসে সবজি না কাটাই ভালো। বরং একটা টেবিলে সবজি রেখে চেয়ারে বসে ছুরি দিয়ে কাটতে পারেন।
গর্ভাবস্থায় যেসব কাজ এড়িয়ে যাবেন
অন্তঃসত্ত্ব হওয়ার পর প্রথম কয়েক মাস প্রায় সব ধরনের ঘরের কাজ করা যেতে পারে। এই ক্ষেত্রে মানসিক অশান্তি বা পেটে চাপ পড়ে এমন কোন কাজ করা উচিত নয় গর্ভবতী মহিলাদের। তাদের এই সময় টেনশন মুক্ত ও হাসিখুশি থাকা খুবই জরুরী।
ভারী কিছু বহন করতে হবে গর্ভবতী মহিলাদের এমন কোন কাজ করা যাবে না। যেমন একদিক থেকে অন্যদিকে আসবাবপত্র সরানোর কাজ কখনই গর্ভবতী মহিলাদের করা যাবে না।
উঁচুতে উঠে ফ্যান পরিষ্কার বা পদ্মা পাল্টানো এ ধরনের কাজ মোটেও এই সময় করা ঠিক নয়। গর্ভাবস্থায় এইরকম যে কোন কাজ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ক্যাফেইন মোটেও খাওয়া উচিত নয়। যার কারণে কফি খেতে নিষেধ করা হয় গর্ভবস্থায়। ক্যাফেইন খেলে হার্ট বেড়ে যেতে পারে। ক্যাফেইন খেলে শরীরের জলের ঘাটতি দেখা যেতে পারে ও রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। কফি ও চা ছাড়াও চকলেট এবং সোডাতেও ক্যাফেইন থাকে।
লেখক এর মতামত
প্রিয় পাঠকগণ, আশা করি আজকের এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। এমনই ইনফরমেটিভ পোস্ট ও বিভিন্ন তথ্যমূলক পোস্ট পেতে নিয়মিত আমাদের সঙ্গে থাকবে। ধন্যবাদ!
ডিজি মাল্টিপ্লাই এর পোস্টে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হবে।
comment url